Breaking News
Home / Health / অক্ষম পুরুষকে সক্ষম করতে তেঁতুল !! দেখুন সঠিক ভাবে খাওয়ার নিয়ম

অক্ষম পুরুষকে সক্ষম করতে তেঁতুল !! দেখুন সঠিক ভাবে খাওয়ার নিয়ম

তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায় এমন ধারণা অনেকে করেন তবে সেটা ভুল। এটা ছেলেদের ও উপকার করে মেয়েদেরও করে।

তবে কোন এক অজানা কারণে এটা অন্য প্রানী যেমন ষাঁড়ের যৌন ক্ষমতা কমাতে এটা ব্যাবহৃত হয়।

তবে গবেষনায় দেখা যায় তেঁতুল পুরুষ মানুষের যৌন ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করে। আর মেয়েদের জন্যও এটা অনেক কাজের কারন এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ যা তাদের দেহের ক্ষত পুরনে সাহায্য করে আর মেয়েদের শরীরে বেশী ক্ষত হয়।

আর প্রেগনেন্সির সময় এটা খেলে মুখের রুচি ফিরে নিয়ে আসে ফলে মায়ের স্বাস্থ্য ঠিক থাকে। রক্তের চর্বি কমানোর মাধ্যমে মায়ের ও বাচ্চার রক্তচলাচল ঠিক রাখে।

তেঁতুল একটা উপকারী ফল। এটার অনেক পুষ্টিগুন রয়েছে। ছেলেদের নিষেধ আর মেয়েদের খেতে হবে বিষয়টা এমন নয় বরং এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিউপাদান যেমন,

জলীয় অংশ (গ্রাম) ২০.৯

মোট খনিজ পদার্থ (গ্রাম) ২.৯

আঁশ (গ্রাম) ৫.৬ – ১.০

খাদ্যশক্তি (কিলোক্যালরি) ২৮৩

আমিষ (গ্রাম) ৩.১

চর্বি (গ্রাম) ০.১

শর্করা (গ্রাম) ৬৬.৪

ক্যালসিয়াম (মিলিগ্রাম) ১৭০

আয়রন (মিলিগ্রাম) ১০.৯ – ১.০

ক্যারোটিন (মাইক্রোগ্রাম) ৬০

ভিটামিন বি১ (মিলিগ্রাম) –০.০১

ভিটামিন বি ২ (মিলিগ্রাম) ০.০৭

ভিটামিন সি (মিলিগ্রাম) ৩৬

কুমারী মেয়ে চেনার উপায়।এই পদ্ধতিতে সহজেই চিনতে পারবেন কুমারী কন্যাকে

জন্মের পর কৈশোরে পদার্পন থেকে বিয়ের আগ পর্যন্ত একটা মেয়ের শারীরিক গঠন যেরকম থাকে বিয়ের পরে সেটা আর সেরকম থাকে না। পরিবর্তন হয়ে যায় শারীরিক প্রয়োজনেই। এটা প্রকৃতিতে স্বাভাবিক। অনেক পুরুষই বিয়ের আগে কুমারী মেয়ে চেনা নিয়ে উদ্বেগে থাকেন। অনেকে আবার অক্ষতযোনী মেয়ে না পেলে তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে ফেলেন।

তাদের অবগতির জন্য আমাদের আজকের আয়োজন। আসুন জেনে নিই কুমারী মেয়ে চেনার উপায়। আগেই বলে রাখি কুমারী মেয়ে চেনার জন্য সাধারণত তেমন কোন লক্ষণ নেই।

তবে মেয়েদের যোনী এবং স্তন দেখে মোটামুটি কমারী মেয়ে চেনা যায়। তবে অনেক মেয়ের বংশগতভাবেই স্তন বড় থাকে। এমনও ঘটনা দেখা গেছে যে, একটি মেয়ের স্তন বেশ বড়, কিন্তু কোন ছেলেকে চুম্বন করা তো দূরের কথা, কখনো হস্তমৈথুন এবং সেক্স পর্যন্ত করেনি।

তার মানে কী এই দাড়াঁবে যে, মেয়েটি কুমারীত্ব হারিয়েছে?

মোটেই নয়। আবার এমনও ঘটনা রয়েছে যে, কোন মেয়ে তার জীবনে প্রথম সেক্স করেছে, কিন্তু কোন রক্তপাত হয়নি। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, আপনার আগে কোন পুরুষ তার কুমারীত্ব নিয়েছে। তবে আসলেই কুমারী মেয়ে চেনার তেমন কোন লক্ষণ নেই। তবুও নিম্নে যোনী এবং স্তন দেখে ভার্জিন মেয়ে চেনার কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলোঃ

যোনীঃ

১. ল্যাবিয়া মেজরা অর্থাৎ বাইরের পাপড়ি প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে একসাথে লেগে থাকবে এবং যোনীমুখ দেখা যাবে না।

২. ল্যাবিয়া মাইনরা অর্থাৎ ভিতরের পাপড়িও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে এবং ল্যাবিয়া মেজরা দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই। ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে দেখা যাবে না।

৩. হাইমেন অর্থাৎ সতিচ্ছদ অক্ষত থাকবে। যদিও অনেক কারনেই ছিঁড়ে যেতে পারে। এটি ছিঁড়লে সাধারণত রক্তক্ষরণ হয়।

৪. ল্যাবিয়া মাইনরার নিচের প্রান্ত একত্রে থাকবে।

৫. ক্লিাটোরিস বা ভগাঙ্কুর খুব ছোট এবং এর আবরণকারী চামড়াও পাতলা হবে।

৬. যোনীপথ সরু এবং ভিতরের ভাঁজগুলি কম মসৃণ হবে। ভাজ অনেক বেশি হবে।

স্তনঃ

১. স্তন ছোট হবে।

২. চ্যাপ্টা হবে, গোল নয়।

৩. দৃঢ় হবে, তুলতুলে নয়।

৪. স্তনের বোটার চারপাশে যে গাঢ় অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে (কম গাঢ় রঙ হবে) এবং এই অংশ আয়তনে ছোট হবে।

৫. নিপলের আকার ছোট হবে।

সিউডোভারজিন বা নকল কুমারীঃ অনেক সময় অনেক মেয়ের কয়েকবার যৌনমিলনের পরেও হাইমেন বা সতীচ্ছদ অক্ষত থাকে। এদের সিউডোভারজিন বা নকল কুমারী বলা হয়। তবে এর হার অনেক কম

সাধারণত এভাবেই একটা মেয়ের কুমারীত্ব চিহ্নিত করা যায়। তবে যেসব মেয়ে বেশি খেলাধুলা/ শরীরচর্চা করে, সাইকেল/মোটরসাইকেল চালায়, ঘোড়ায় চড়ে এবং হস্তমৈথুন করে তাদের হাইমেন বা সতীচ্ছদ ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

বি:দ্র: উপরের এই বিষয় গুলো হতেও পারে আবার নাও হতে পারে, তবে এই নিয়মে কিছুটা হলেও যে বোঝা যাবে সেটা কিন্তু সত্যি।